ভোর বেলা বা সকাল বেলায় বরকত নাযিল হয় যার জন্য রাসুল সা. দোয়া করেছিলেন ।
যেমনটি হযরত মুহাম্মাদ সা. বলেন
“হে আল্লাহ্! আমার উন্মাতের ভোর বেলার মধ্যে তাদেরকে বারকাত ও প্রাচুর্য দান করুন।”
জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ১২১২
এমন বরকত থেকে আমরা প্রতিনিয়োতো বঞ্চিত হই ।
কারণ আমাদের এতো ভোরে উঠার সময় কই ?
আমরা তো রাত দুইটা তিনটা পর্যন্ত ফেসবুকিং, ইউটিউব, টিকটক, লাইতেই পড়ে থাকি ।
তাই ফজরের নামাজ ও মিস হয়।
সকাল বেলা যে বরকত নাযিল হয় তাও মিস হয় ।
ভোর বেলার আরেকটি বরকত সম্পর্কে
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন যে ব্যক্তি ভোরবেলা ফজরের নামায পড়তে রওয়ানা হয়, সে ঈমানের পতাকা নিয়ে রওয়ানা হয়।
সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ২২৩৪
সকালবেলার সময়টা আল্লাহর কাছে এতই পছন্দনীয় যে তিনি এ সময়ের শপথ নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘শপথ প্রভাতকালের, যখন তা আলোকোজ্জ্বল হয়। অবশ্যই এই জাহান্নাম ভয়াবহ বিপদসমূহের অন্যতম।’ সুরা : মুদ্দাসিসর, আয়াত : ৩৩-৩৫
অন্য আয়াতে এসেছে, ‘শপথ তাদের, যারা অভিযান বের করে প্রভাতকালে।’
সুরা : আদিআত, আয়াত নং : ০৩
সকালবেলার ঘুম অনেক সময় শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। অনুরূপভাবে সফলতা অর্জনেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। হজরত ফাতেমা বিনতে মুহাম্মদ (সা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘একদা রাসুল (সা.) আমার ঘরে এসে আমাকে ভোরবেলায় ঘুমন্ত অবস্থায় দেখলেন, তখন আমাকে পা দিয়ে নাড়া দিলেন এবং বললেন, মা মণি! ওঠো! তোমার রবের পক্ষ থেকে রিজিক গ্রহণ করো! অলসদের দলভুক্ত হয়ো না। কেননা আল্লাহ সুবহে সাদেক থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত মানুষের মধ্যে রিজিক বণ্টন করে থাকেন।’
আত-তারগিব, হাদিস নং : ২৬১৬
তাই রাতে কাজ না থাকলে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ুন।
ফজরের নামাজ আর সকাল বেলার বরকত এর মধ্যে ডুবে থাকুন ।
-আমিরুল ইসলাম

No comments:
Post a Comment