ইবনুল কায়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) তার শিক্ষক ইবনে তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) সম্পর্কে বলেন -
"প্রতিদিন ফজর সালাতের পর তিনি বের হয়ে
পড়তেন, চলে যেতেন দামাস্কাসের সীমান্তবর্তী বিস্তৃত মাঠ - গুলোতে। সেখানে বসে তিনি আল্লাহর নাম নিতেন- সূর্যোদয় হওয়ার আগ পর্যন্ত যিকর করতে থাকতেন। আমরা একদিন কৌতূহল মেটাতে তাকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কেন প্রতিদিন এমন করেন? জবাবে তিনি বললেন, এটা হলো আমার সকালের নাস্তা, আমার আত্মার খাদ্য, এটা ছাড়া আমার শরীর অবসন্ন হয়ে যাবে। এটাই আমাকে সারাদিনে চলার শক্তি যোগায় - যদি সকালে আমি আমার রসদ না পাই, তাহলে সারাটা দিন আমি দুর্বল হয়ে থাকবো। "
শাইখ আহমদ মূসা জিবরীল (হাফিযাহুল্লাহ)
সকাল- সন্ধ্যার মাসনুন যিকর হলো বর্মের মতো। যতো বেশি যিকর, ততো বেশি শক্ত বর্ম। এই বর্ম এতোটাই শক্ত করতে পারেন আপনি যে, আপনার দিকে ছুঁড়ে দেওয়া তীর বর্মে প্রতিহত হয়ে উল্টো নিক্ষেপকারীকে গিয়ে আঘাত করবে।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বলেনঃ
"হে মু'মিনগণ! তোমাদের ঐশ্বর্য ও সন্তান-সন্ততি যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণে উদাসীন বা গাফিল না করে। যারা উদাসীন হবে, তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত। " ( সূরা মুনাফিকূন : ৬৩ ; ৯)
অপর আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বলেনঃ
"আর স্মরণ করতে থাকো নিজের পালনকর্তাকে আপন মনে কান্নায় রত ও ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় এবং এমন স্বরে যা চিৎকার করে বলার চেয়ে কম, সকালে ও সন্ধ্যায়। আর বে-খবর থেকো না। " ( সূরা আরাফ: ৭; ২০৫)
বি:দ্রঃ সকাল ও বিকালের কিছু যিকর দেওয়া হলো, নিজে আমল করুন এবং অন্যকে আমলের সুযোগ করে দিন। দু'আগুলো অবশ্যই আরবী দেখে পড়বেন বাংলায় ভুল পড়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।
#Dawah































No comments:
Post a Comment