এ বছর জনপ্রতি ফিতরা আদায়ের জন্য সর্বোচ্চ পরিমান ২৩১০ টাকা ও সর্বনিম্ন পরিমান ৭০ টাকা। কেন এই তারতম্য হয়? এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে অ্যাপের "আর্টিকেল ও মাসআলা" অপশনের "সাদাকাতুল ফিতরের বিধান" আর্টিকেলে। সেখানে আমরা ফিতরা বিষয়ে বিস্তারিত বলার চেষ্টা করেছি।চলুন দেখে নিই কোন পণ্য দিয়ে ফিতরা আদায়ের জন্য কত মূল্য পরিশোধ করতে হবে।
॥॥ আটা ॥॥ - ৭০ টাকা
আটা দিয়ে আদায় করলে অর্ধ সা তথা ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম আটা ফিতরা হিসাবে দিতে হবে। এর মূল্য দিতে চাইলে বাজার দর অনুযায়ী আসে ৭০ টাকা।
॥॥ যব ॥॥ - ২৮০ টাকা
যব দিয়ে আদায় করলে ১ সা তথা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম প্রদান করতে হবে। যার বাজারমূল্য ২৮০ টাকা।
॥॥ গম ॥॥ - ৭০ টাকা
গম দিয়ে আদায় করলে অর্ধ সা তথা ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম প্রদান করতে হবে। যার বাজারমূল্য ৭০ টাকা।
॥॥ কিসমিস ॥॥ - ১৩২০ টাকা
কিসমিস দিয়ে আদায় করলে ১ সা তথা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম প্রদান করতে হবে। যার বাজারমূল্য ১৩২০ টাকা।
॥॥ খেজুর ॥॥ - ১৬৫০ টাকা
খেজুর দিয়ে আদায় করলে ১ সা তথা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম প্রদান করতে হবে। যার বাজারমূল্য ১৬৫০ টাকা।
॥॥ পনির ॥॥ - ২৩১০ টাকা
পনির দিয়ে আদায় করলে ১ সা তথা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম প্রদান করতে হবে। যার বাজারমূল্য ২৩১০ টাকা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে আরো বলা হয়েছে পণ্যগুলোর স্থানীয় বাজারমূল্যে তারতম্য হতে পারে। সে অনুযায়ী নিজ নিজ এলাকার বাজারমূল্য অনুযায়ী প্রদান করলেও আদায় হয়ে যাবে। এছাড়াও এখানে পণ্যগুলোর যে মূল্য দেয়া আছে সেগুলোর ক্ষেত্রে পণ্যের মান অনুযায়ী মূল্যের তারতম্যও হওয়া সম্ভব। যেমন ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম খেজুরের মূল্য ধরা হয়েছে ১৬৫০ টাকা। আমরা জানি উন্নত জাতের আজওয়া খেজুরের প্রতি কেজির দামই আছে প্রায় ২০০০ টাকা। সেক্ষেত্রে আমাদের যাদের সামর্থ্য আছে তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের খেজুরের মূল্যকে আদর্শ না ধরে আজওয়া খেজুরের দাম হিসাব করে ৬৬০০ টাকা ফিতরা প্রদান করতে পারেন।
আল্লাহ আমাদের সকলকে ঈদের আগেই সাধ্য অনুযায়ী বেশি মূল্যমানের পণ্য দিয়ে ফিতরা আদায়
No comments:
Post a Comment